Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

গতবছরের ১৯ জুলাই রামপুরায় নিজ বাসার নিচে আইসক্রিম খেতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় মুসা

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩৬ এএম

জুলাই অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৬) প্রায় সাড়ে ৫ মাস চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সে দেশে ফেরে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদা বুশরা শিশু বাসিত খান মুসার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেশে নিয়ে আসার পর তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। 

চিকিৎসকরা জানান, গত বছরের ১৯ জুলাই বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতিসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া পরদিন মারা যান। মুসার মাথার এক পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশে চলে যায়। এরপরও সে বেঁচে যায়।

গুলিবিদ্ধ মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। এরপর ২৬ আগস্ট তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠায় সরকার। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছে। 

মুসার পরিবার ও সিএমএইচের চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যমতে, দেশে থাকা অবস্থায় মুসা নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিল। কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র ছাড়া সে শ্বাস নিতে পারত না। খিঁচুনি হতো। মুসার দেহ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ–প্রতিরোধী হয়ে পড়েছিল। রক্তে সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছিল না বলে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছিল। তার ডান পাশ শুরু থেকেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিল। চোখের পাতাও নাড়াতে পারতো না।

মা নিশামনি বলেন, “মুসার মাথায় গুলি বাঁ দিক দিয়ে ঢুকেছিল। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হয়েছেন, গুলিটা ডান পাশে আটকে আছে। এটা বের করা যাচ্ছে না। ওর ডান হাত–পা ও মুখমণ্ডল অর্থাৎ পুরো ডানপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ফলে ও নিজে থেকে ওঠে বসতে পারে না। কিছুটা সাহায্য করলে উঠে বসতে পারে।। তবে ও হাসে–খেলে।”

   

About

Popular Links

x