Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: ডিএনএ প্রতিবেদনে মূল অভিযুক্তের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে

এ ঘটনায় বাড়ির অন্য সদস্যদের কী ভূমিকা ছিল- তা তদন্ত করছে পুলিশ

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:৪৫ পিএম

মাগুরার সেই শিশু ধর্ষণের মামলায় মূল অভিযুক্ত (শিশুটির বোনের শ্বশুর) ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে ডিএনএ প্রতিবেদনে। এ ঘটনায় বাড়ির অন্য সদস্যদের কী ভূমিকা ছিল- তা এখন তদন্ত করছে পুলিশ।

সোমবার (৭ এপ্রিল) পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. রেজাউল হক একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে এ তথ্য জানান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনে শিশুটির বোনের শ্বশুড়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত শেষ পর্যায়ে আছে। শিগগিরই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যম প্রথম আলোর পক্ষ থেকে ডিআইজি মো. রেজাউল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া বার্তারও তিনি জবাব দেননি। তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিচ্ছেন না জেলা পুলিশের কোনো কর্মকর্তাও।

এর আগে ওই শিশুটিকে একাই ধর্ষণ করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন শিশুটির বোনের শ্বশুর। ১৫ মার্চ মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় ওই আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে মূল অভিযুক্ত জানান, ৬ মার্চ সকালে তার ছোট ছেলের (শিশুটির বোনের স্বামী) কক্ষে শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করেন তিনি। আদালত সূত্র ও পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট জানান, আসামির জবানবন্দির সঙ্গে মামলার বাদী শিশুটির মায়ের এজাহারের অমিল রয়েছে। বাদী বলেছিলেন, ঘটনা ঘটেছে রাতে। অবশ্য এজাহারে তিনি এ-ও উল্লেখ করেছিলেন, বিয়ের পর থেকে তার বড় মেয়েকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন মেয়ের শ্বশুর। বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যরাও জানতেন। এ নিয়ে ঝগড়াও হয়েছে তাদের।

উল্লেখ্য, বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। ১৩ মার্চ দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই শিশুটি। প্রথম জানাজা শেষে উত্তেজিত জনতা শিশুটির বোনের শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

এর আগে ৮ মার্চ মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও ধর্ষণের মাধ্যমে আহত করার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির মা। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়।

   

About

Popular Links

x