মেট্রোরেলে যাত্রীসেবা বিঘ্নিত হলে টেলিভিশনে স্ক্রলের মাধ্যমে জানাতে নির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এছাড়াও বিদ্যুৎ, সড়ক ও ট্রেনের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা মানতে হবে।
রবিবার (২৭ এপ্রিল) উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এই সংক্রান্ত একটি দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শনিবার মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বিঘ্নিত হয়। এছাড়া খুলনা অঞ্চলে বিদ্যুতের ব্ল্যাকআউট হয়। এই দুটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা কিংবা সংস্থার প্রধানরা উপদেষ্টাকে এই বিষয় জানাননি। উপদেষ্টা এসব বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানতে পারেন।
উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জারি করা নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এখন থেকে যেকোনো ধরনের গ্রাহক ও যাত্রীসেবা বিঘ্নের ঘটনা টেলিভিশনে স্ক্রলের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে জানাতে হবে। গ্রাহক ও যাত্রীসেবা আবার চালু হলে সেটাও জানিয়ে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, গ্রাহক ও যাত্রীসেবা আমাদের দয়া নয়, বরং দায়।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মেট্রোরেল ও ব্ল্যাকআউটের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর তৎপরতা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। পাশাপাশি যাত্রী ও গ্রাহকদের বিষয়টি কেন জানানো হয়নি এবং কেন দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি-সেই বিষয়ে কৈফিয়ত চেয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, “মেট্রোরেলে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর উপদেষ্টা বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায় যে এটি মেট্রোরেলের কারিগরি ত্রুটি। বিদ্যুতের কোনো সমস্যা নেই। এ সময় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি উপদেষ্টাকে আগে অবহিত করেননি। একইভাবে খুলনা অঞ্চলে ব্ল্যাকআউট নিয়েও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কিছুটা লুকোচুরির আশ্রয় নেন।”



বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ
একযোগে হঠাৎ বিদ্যুৎবিহীন ১০ জেলা, গরমে ভোগান্তি