রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়িতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা ও সার্বিক পরিস্থিতি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দেওয়া ওই বিবৃতিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের সময় স্কুল ছুটি হয়ে যাওয়ায় স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী অভিভাবকের জন্য অপেক্ষা করছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, আনুমানিক দুপুর ১টা ১২ মিনিট থেকে ১টা ১৪ মিনিটের মধ্যে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুপুর ১টায় স্কুল ছুটি হয়ে যাওয়ায় তখন অভিভাবকদের জন্য স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী অপেক্ষা করছিল।

এ ঘটনায় নিখোঁজ ও হতাহতের তালিকা জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে স্কুল শাখার ১৮ জন শিক্ষার্থী, দুজন শিক্ষক, দুজন অভিভাবক নিহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত হয়েছেন ৫১ জন। তাদের মধ্যে ৪০ জন শিক্ষার্থী, ৭ জন শিক্ষক, একজন অভিভাবক, একজন আয়া ও একজন পিয়ন রয়েছেন। বাকি একজনের পরিচয় বিবৃতিতে জানানো হয়নি।
স্কুল কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে ৫ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন অভিভাবক।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় হতাহত ও নিখোঁজের তথ্য জানিয়েছে বলছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। হতাহতের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে আইএসপিআর



