দেশে আগস্ট মাসে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন ২৪৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যা জুলাইয়ের ২৩৪ কোটি টাকা থেকে ৪.০৯% বেশি।
তথ্য বলছে, এই লেনদেনের প্রায় অর্ধেক হয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। যেখানে ব্যবহারকারীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেছেন। আগস্ট মাসে ৯.৯২% মূল্যস্ফীতির সময়ে এটি জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটে অবদান রেখেছে।
তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমার অর্থ লেনদেনের সুযোগ থাকে ক্রেডিট কার্ডে। এতে ৪৫ দিন পর্যন্ত সুদ-মুক্ত অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকে। দেশে ও বিদেশে দিন দিন এই কার্ড ব্যবহার বাড়ছে। যদিও সবশেষ যে হিসাব, তাতে দেশে ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন বাড়লেও আন্তর্জাতিক লেনদেন কমেছে।
আবার অভ্যন্তরীণ লেনদেন বৃদ্ধি পেলেও বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমেছে।
বিদেশী ক্রেডিট কার্ডধারীরা আগস্টে বাংলাদেশে ২১৮ কোটি টাকার বেশি খরচ করেছে, যা জুলাইয়ের তুলনায় ১৪.১১% বেশি।
বিপরীতে, বাংলাদেশী ক্রেডিট কার্ডধারীরা বিদেশে খরচ করেছে ৪১৭ কোটি টাকারও বেশি, যা জুলাইয়ের তুলনায় ১৮.৩৫% হ্রাস পেয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সেলিম উদ্দিনের মতে, ক্রেডিট কার্ডের ব্যয় বৃদ্ধি সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
প্রধান ব্যয় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে (৪৯.৯৯%), খুচরা (১২.৩৪%), ইউটিলিটি বিল (৯.১৬%) ও নগদ উত্তোলন (৭.৯৭%)।
জুলাই মাসে, ভিসা কার্ডে ৭৩.৪৫% লেনদেন হয়েছে। যেখানে মাস্টারকার্ডে হয়েছে ১৬.২০% লেনদেন। আগস্টে, মার্কিন নাগরিকরা ২৫.৩৪% বিদেশী ক্রেডিট কার্ড লেনদেন করে সবচেয়ে ওপরে আছেন। এরপরেই আছেন যুক্তরাজ্য (১২.৩৯%) ও ভারতের (১০.৯২%) লেনদেনকারীরা।



