Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দেশের মোট সম্পদের ৫৮.৫% নিয়ন্ত্রণ করছে ১০% শীর্ষ ধনী

সিপিডি আয়োজিত অর্থনীতির পুনর্বিন্যাস বিষয়ে টাস্কফোর্সের সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:১৩ পিএম

বাংলাদেশের মোট সম্পদের ৫৮.৫% নিয়ন্ত্রণ করছেন জনসংখ্যার শীর্ষ ১০%, যেখানে নিচের সারির মানুষের হাতে রয়েছে মাত্র ৪.৮% সম্পদ। দেশে আয়বৈষম্য বেড়েছে। কারণ ধনীদের আয় আরো বেড়েছে। সঅর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সদস্য ড. রুমানা হক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত “অর্থনীতির পুনর্বিন্যাস বিষয়ে টাস্ক ফোর্সের সুপারিশ” শীর্ষক সম্মেলনে একটি প্রবন্ধের উপস্থাপনায় এসব কথা বলেন তিনি।

ড. রুমানা হক বলেন, “শিল্পায়ন, অবকাঠামোয় বিনিয়োগ ও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) মূলত নগরবাসীদের সুবিধা দিয়েছে। অন্যদিকে ৮৫% জনশক্তি স্বল্পমজুরির কাজে জড়িত আছেন। যাদের কোনো কর্ম সুরক্ষা নেই। আয় বৈষম্য কমাতে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করতে সরকারকে জোর দিতে হবে।”

সুপারিশমালায় বলা হয়, গ্রামে মানসম্মত শিক্ষার সুবিধা না থাকায়, উপরের দিকে সামাজিক গতিশীলতা নেই। অন্যদিকে ভ্যাট কম আয়ের জনগোষ্ঠীর ওপর বোঝা হয়ে ওঠে। তাই আয়বৈষম্য কমাতে তিনি অর্জিত সম্পদ ও উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ওপর ক্রমবর্ধমান হারে করারোপের পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে কর ফাঁকি এড়াতে এবং তা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়া রোধে—আরো কঠোরভাবে রাজস্ব বিধিবিধানের প্রতিপালন নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।

মানসম্মত শিক্ষা, কর্মমুখী প্রশিক্ষণের প্রসারের পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি শিল্পের উদোক্তাদের সমর্থন দিতে তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন।  রুমানা হক বলেন, “বিশেষত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য এগুলো নিশ্চিত করতে হবে।”

সেমিনারে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর শক্তিশালীকরণ, সর্বজনীন মৌলিক আয় প্রবর্তন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলোকে সমর্থন করাকেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

   

About

Popular Links

x