বলিউডে প্রায় এক দশক পার করে ফেলেছেন সানি লিওনি। তবে পর্ন ছবির দুনিয়া ছেড়ে মূল ধারার ছবিতে জায়গা করে নেওয়া তার জন্য সহজ ছিল না। অভিনেত্রী হিসেবে তাকে গ্রহণ করতে চাননি বলিউডের অনেকেই। সেই কঠিন পথ পেরিয়ে এগিয়ে চলেছেন সানি। পা রেখেছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবেও।
বিশ্বের অন্যতম সমাদৃত এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মিডনাইট স্ক্রিনিং বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে সানি লিওনি অভিনীত সিনেমা “কেনেডি”। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ।
“কেনেডি” ছবিতে অনিদ্রা রোগে ভোগা এক প্রাক্তন পুলিস অফিসারের গল্প উঠে এসেছে। দুনিয়ার চোখে বহুদিন আগেই মৃত তিনি, তবে দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে অগোচরেই লড়াই চালাচ্ছেন তিনি। সানি ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন রাহুল ভাট।
ছবিটিতে চার্লি নামের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানি লিওনি। প্রাপ্তবয়স্কদের ছবির তকমা সরিয়ে এটাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অসাধারণ কাজ বলে প্রশংসা চলছে।
ফ্রান্সের স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ মে) রাতে পালে ভবনের প্রধান সিনেপ্লেক্স গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন অনুরাগ-সানিসহ “কেনেডি”র কলাকুশলীরা।
ছবিটির প্রদর্শনী শেষে টানা ৭ মিনিট স্ট্যান্ডিং ওভেশন (দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে অভিবাদন) পেয়েছেন সানি লিওনি-অনুরাগরা।
ফিল্ম কম্প্যানিয়নকে তিনি বলেন, "আমি কখনোই সানির সিনেমা দেখিনি। আমি তার সাক্ষাৎকার দেখেছি। তার চোখ হতাশায় ভরা। অতীতে তার একটি জীবন ছিল। কেনেডি সিনেমার জন্য আমার চলিশোর্ধ একজন নারীর প্রয়োজন ছিল, যিনি তার আশেপাশের পুরুষদের দ্বারা পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকে যৌন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আমার যৌনতা বা এই জাতীয় কিছু দেখানোর দরকার নেই। আমাকে ওই নারীকে দেখতে হবে যে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছেন। সানির মধ্যে আমি এরকম একজন নারীর প্রতিচ্ছবি দেখেছি।”
প্রসঙ্গত, বিগ বসের মঞ্চ দিয়ে ভারতীয় মিডিয়ায় পা রাখেন সানি লিওন। পরবর্তীতে “জিসম ২” ছবির মাধ্যমে তার বলিউডযাত্রা শুরু হয়।



