আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন ঢাকাই সিনেমার সোনালি দিনের জনপ্রিয় অভিনেতা মাহমুদ কলি। তিনি চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের প্যানেল থেকে সভাপতি নির্বাচন করবেন।
রবিবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘোষণা দেন নিপুণ।
তিনি বলেন, “আমি সবসময় চেয়েছি, যারা আগে শিল্পী সমিতির পদগুলোতে ছিলেন, তারা যেন ফিরে আসেন। সেই ভাবনা থেকেই গতবার ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেবকে নিয়ে নির্বাচন করেছি। ওনার সঙ্গে আমি দুই বছর কাজ করেছি। তো এবারও চাচ্ছিলাম এমন কাউকে আনি, যিনি সংগঠনটি সম্পর্কে জানেন, বোঝেন এবং এই সংগঠন যাদের হাত ধরে এই পর্যায়ে এসেছে। মাহমুদ কলি সাহেব তেমনই একজন। তাই আশা করছি তার সঙ্গে আমার মেলবন্ধনে ভালো কিছু হবে।”
প্যানেলের অন্যান্য পদের প্রার্থীর নাম শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলেও জানান নিপুণ।
অন্যদিকে, তাদের বিপরীতে এবার সংগঠনটির নেতৃত্বের জন্য লড়বে ডিপজল ও মিশা সওদাগর প্যানেল। তাদের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণাও এখনও বাকি।
এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রধান কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ২৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।
সত্তরের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মাহমুদ কলির। এরপর আশির দশকে তিনি সাফল্যের সঙ্গে বহু সিনেমায় কাজ করেছিলেন। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি “মহাগ্যাঞ্জাম”। এটি ১৯৯৪ সালে প্রেক্ষাগৃহে এসেছিল। এর আগে ১৯৯১ সালে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে ফের একই দায়িত্ব পান। এছাড়া ১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই নায়ক।
নিপুণ দুই বছর আগে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে সঙ্গে নিয়ে নেমেছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে। তাতে নিরঙ্কুশ জয় পান কাঞ্চন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে নিপুণের জয়-পরাজয় নিয়ে দেখা দেয় জটিলতা। যেটা পাক্কা দুই বছরেও পরিষ্কার হয়নি।
এবারও নিপুণ সাধারণ সম্পাদক পদে লড়াইয়ের ঘোষণা দেন। তবে তার প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কারণ ইলিয়াস কাঞ্চন আর নির্বাচন করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন।



নির্বাচন করবেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, সভাপতি খুঁজছেন নিপুণ