বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে (২৬) ধর্ষণ ও সাড়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা করার মামলায় বাকী বিল্লাহ (৫২) নামে এক মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করার পর পুলিশ রাতে তাকে উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বিজরুল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নন্দীগ্রাম থানার ওসি তারিকুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, অভিযুক্ত বাকী বিল্লাহ বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বিজরুল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় গছাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট। তার একই এলাকার চাচাতো শ্যালিকা শারীরিক প্রতিবন্ধী। বাকী বিল্লাহ মাঝে মধ্যেই চাচা শশুর বাড়িতে বেড়াতে যেতেন। ২১ জানুয়ারি বিকালে বাড়িতে কেউ ছিলোনা। এ সুযোগে বাকী বিল্লাহ বাড়ির ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণ করেন। কিছুদিন পর তার শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দেয়। তাকে চিকিৎসকের কাছে নিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, ওই নারী ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় চাচা শশুর ২৫ জুন আদালতে ভাতিজি জামাই বাকী বিল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ১ জুলাই মামলাটি রেকর্ড করে। এছাড়া রাতেই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একমাত্র আসামি গছাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি তারিকুল ইসলাম জানান, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।



