Sunday, August 30, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

লোডশেডিংয়ের সময়টা যেভাবে কাজে লাগাবেন 

দিনশেষে বিশ্রামের মুহূর্তে বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানসিক বিরক্তি ও ক্ষোভের জন্ম দেয় 

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম

দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দৈনন্দিন কাজের ব্যস্ততা কিংবা দিনশেষে বিশ্রামের মুহূর্তে বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানসিক বিরক্তি ও ক্ষোভের জন্ম দেওয়া স্বাভাবিক। 

তবে মনস্তাত্ত্বিক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও কিছু কার্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে এই বিদ্যুৎহীন সময়টিকেও মানসিক প্রফুল্লতা বৃদ্ধি এবং শারীরিক সুস্থতার সুযোগে কাজে লাগানো সম্ভব। 

লোডশেডিংয়ের সময়টা যেভাবে কাজে লাগাবেন 

হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের তথ্যানুযায়ী, শারীরিক কসরত মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। লোডশেডিংয়ের সময় মুক্ত বাতাসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং কিংবা যোগব্যায়াম করলে শরীরে ‘এন্ডোরফিন’ হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা গরম ও অন্ধকারজনিত মানসিক অবসাদ দ্রুত দূর করে।

বই পড়া
ইউনেস্কোর শিক্ষা প্রতিবেদন অনুসারে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম মানুষের মনোযোগের পরিধি কমিয়ে দিচ্ছে। তাই বিদ্যুৎহীন সময়ে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ সরিয়ে রেখে বই পড়া, ডায়েরি লেখা ইত্যাদি। 

পরিবারে সময় দেওয়া
এছাড়া পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লুডো, দাবা ও ক্যারামের মতো খেলায় অংশ নেওয়া চোখের ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত করে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সামাজিক গবেষণায় বলা হয়েছে, সামনাসামনি আড্ডা একাকীত্ব দূর করে এবং সম্পর্ককে সুদৃঢ় করে। বারান্দা বা ঘরে বসে পরিবারের ছোট-বড় সবাই মিলে গল্পগুজব করলে মানসিক সহমর্মিতা ও পারিবারিক বন্ধন গভীর হয়।

মানসিক চাপ না থাকা
আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রিয় সুর বা শান্ত গান মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করে এবং হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখে। বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা গান শোনার মাধ্যমে মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন’ নিঃসরণ বাড়ে, যা প্রতিকূল পরিবেশেও মানসিক চাপ দ্রুত কমিয়ে দেয়। 
 

   

About

Popular Links

x