Tuesday, October 20, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শুরু হচ্ছে কলেরার টিকাদান কর্মসূচি, প্রথম ডোজ ২২ আগস্ট

মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

সারাদেশে শুরু হচ্ছে প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন অর্থাৎ কলেরার টিকাদান কর্মসূচি। ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় আগামী ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ডোজ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে। 

প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এক বছর বা তার বেশি বয়সী প্রত্যেকে বিনামূল্যে এই টিকা পাবেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারী এই টিকার বাইরে থাকবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

ডিএসসিসির লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর - চারটি থানার ১৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে এই টিকা দেওয়া হবে।

এছাড়া ডিএনসিসির শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এবং মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “পূর্বে কলেরায় গ্রাম উজাড় হয়ে যেত, যা বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে এলেও সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের কারণে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। জাতীয় সকল টিকাদান কর্মসূচির মতো এ ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”
 
তিনি সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। 
 
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, “পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সফলভাবে ইপিআই কার্যক্রম বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতায় আমরা ১৭টি ওয়ার্ডেও এই কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
 
উল্লেখ্য, Vibrio cholerae নামক জীবাণুবাহিত কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার এই টিকা ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয় এবং রোগের তীব্রতা হ্রাস করে। টিকাদানের পাশাপাশি নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
 
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খয়বর রহমান, ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ পিটার জর্জ এল মাইস, ডব্লিউএইচও-এর প্রতিনিধি ডাঃ আহমেদ জামশীদ মোহামেদ, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মোঃ হাবিবুর রহমান খান, আইসিডিডিআর,বি-র সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. ফিরদৌসী কাদরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাঃ মো. জাহিদ রায়হান উপস্থিত ছিলেন।
   

About

Popular Links

x