Friday, October 30, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এআইয়ের সহায়তায় মদ তৈরি, প্রাণ গেল ১৩ জনের

১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি খুঁজে বের করেছিলেন ভারতের এক যুবক। এরপর বেআইনিভাবে মদ তৈরি করে শুরু করেন ব্যবসা। সেই মদ পান করেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায়। মদপানে ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্তদের তৈরি মদের সঙ্গে ১৩ জনের মৃত্যুর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত অজয় রাঠোর ইন্দোরের বাসিন্দা। গত সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যম ব্যবহার করে বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য খোঁজেন তিনি। সেখান থেকে পাওয়া অসম্পূর্ণ তথ্য কাজে লাগিয়ে পরে ইন্টারনেটে রাসায়নিক সরবরাহকারীদের সন্ধান শুরু করেন।

তদন্তকারীদের ভাষ্য, এরপর ইন্দোরের ‘রাইজিং ব্রাদার্স’ নামে একটি দ্রাবক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন অজয়। সেখান থেকে একটি রাসায়নিক সংগ্রহ করেন তিনি।

পুলিশের অভিযোগ, ওই রাসায়নিক ব্যবহার করে অজয় ও তার সহযোগীরা বেআইনিভাবে মদ তৈরি শুরু করেন। ১ অক্টোবর রাসায়নিক হাতে পাওয়ার পর পুরোনো ও ফেলে দেওয়া মদের বোতলে তৈরি করা তরল ভরে বিক্রি শুরু করেন তারা। এমনকি আসল মদের সঙ্গে নকল মদ মিশিয়ে গ্রামাঞ্চলেও সরবরাহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।

এতে ক্রেতাদের পক্ষে আসল ও নকল মদের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। রাসায়নিক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোরের আরেক বাসিন্দা আমন কাসলিওয়ালকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

যে গুদাম থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মদের নমুনাও পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

   

About

Popular Links

x