টাঙ্গাইলে কামড় দেওয়ার পর ওই সাপকে জ্যান্ত ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন আব্দুল কাদের (৫০) নামে এক ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান, তাকে কামড় দেওয়া সাপটি বিষধর নয়।
আব্দুল কাদের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে।
আব্দুল কাদের জানান, বৃহস্পতিবার রাতে আঙ্গারগাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে একটি সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে সাপ খুঁজে বের করে ধরে ফেলেন তিনি। এরপর স্থানীয় লোকজনকে ডাকাডাকি করে জড়ো করেন। তাদের সহযোগিতায় একটি প্লাস্টিকের বস্তায় সাপ ভরে চিকিৎসা নিতে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, “লোকটির সাহস দেখে অবাক হয়েছি। তিনি জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, সাপটি বিষধর নয়। তাই তার শরীরে অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
তিনি পরামর্শ দেন, কাউকে সাপে কামড়ালে সাপ ধরতে না গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আসতে হবে। কারণ সাপ ধরতে যাওয়া বিপদজনক। এতে করে হিতে বিপরীত হতে পারে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা সেলিম কবির বলেন, “রাত পৌনে ৯টার দিকে আব্দুল কাদের জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাপ দেখতে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। কেউ কেউ ওই ব্যক্তিকে সাহসী পুরুষ বলে মন্তব্য করেন। পরে রোগীর স্বজনরা একজন সাপুড়েকে ডেকে আনেন। ওই সাপুড়ে সাপটি নিয়ে যান।”



