ইন্দোনেশিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা দাবানল থেকে নির্গত ধোঁয়ায় সৃষ্ট বায়ুদূষণে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই কমপক্ষে ৩,৫৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, নগর ও শিল্পদূষণের কারণে এ সময়ে আরও ১,৭৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সব মিলিয়ে ওই মাসে দাবানল ও অন্যান্য উৎসের বায়ুদূষণে ইন্দোনেশিয়ায় মোট মৃত্যুর আনুমানিক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৩১০ জনে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকেরা দাবানলের ধোঁয়া ছাড়াও নগর ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত দূষণের প্রভাব পর্যালোচনা করেছেন।
হেলসিংকিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে দেশটির প্রায় ৫ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ অস্বাস্থ্যকর থেকে বিপজ্জনক মাত্রার দূষিত বাতাসে শ্বাস নিতে বাধ্য হয়েছেন।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় বন ও ভূমিতে লাগা আগুনের কারণে বায়ুর মানের আরও অবনতি ঘটে। এতে দূষণজনিত আনুমানিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩,৫৬০ জনে, যা আগস্ট মাসের হিসাবের দ্বিগুণ।
গবেষণায় বায়ুদূষণের অতিক্ষুদ্র কণা পিএম ২.৫-এর স্বল্পমেয়াদি সংস্পর্শে আসার কারণে মৃত্যুর হিসাব করা হয়েছে। অর্থাৎ, দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই যেসব মৃত্যু ঘটে, সেগুলো এ হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, এসব মৃত্যুর বেশির ভাগই ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের একটি এলাকায়, জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপ এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলে।
প্রায় ২৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষের দেশটিতে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে।



