Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অনলাইনে ল্যাপটপ অর্ডার দিয়ে ডেলিভারিতে পেলেন ডিটারজেন্ট সাবান

ফ্লিপকার্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, ওটিপি দিয়ে দেওয়ায় পণ্যটি ফেরত নেওয়া সম্ভব না

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:২৮ পিএম

অনলাইনে কেনাকাটা বর্তমানে তেমন নতুন কোনো বিষয় নয়। মাত্র কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে পছন্দের জিনিস কেনাকাটা করা যায়। এক্ষেত্রে যেমন সুবিধা রয়েছে, তেমনি রয়েছে হয়রানির ঝুঁকিও। অনলাইনে নিয়মিত কেনাকাটা করেন অথচ একবারও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর।

অনলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে তেমনই এক বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন ভারতের আহমেদাবাদের এক শিক্ষার্থী। যশস্বী শর্মা নামের ওই শিক্ষার্থী ই-কমার্স সাইট ফ্লিপকার্ট থেকে তার বাবার জন্য একটি ল্যাপটপ অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু ডেলিভারির তিনি পেয়েছেন ডিটারজেন্ট সাবান।

এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে করা এক পোস্টে যশস্বী শর্মা বলেন, ফ্লিপকার্টের “বিগ বিলিয়ন ডেইজ” সেল ক্যাম্পেইন থেকে তিনি একটি ল্যাপটপ অর্ডার করেছিলেন। তবে ডেলিভারির সময়ে তার বাবা যে প্যাকেজটি হাতে পান, তাতে ডিটারজেন্ট সাবান ছাড়া আর কিছু ছিল না।

এদিকে, এ ঘটনার দায় নিতে নারাজ ফ্লিপকার্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, ওপেন বক্স ডেলিভারির সুবিধা নিলেই এ ঘটনা ঘটতো না।

ওপেন-বক্স ডেলিভারি পরিষেবায়, ক্রেতাকে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সময় এজেন্ট প্যাকেজ খুলে তার ভেতরে কী আছে তা দেখিয়ে দেন। ক্রেতা সন্তুষ্ট হলে ডেলিভারি এজেন্টের সঙ্গে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) শেয়ার করে পণ্য বুঝে নেওয়ার ব্যাপারে কনফার্মেশন দেন।

কিন্তু পণ্য বুঝে নেওয়ার সময় প্যাকেজ খোলার আগেই তিনি ডেলিভারি নিয়ে ওটিপি দিয়ে দিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে যশস্বী শর্মার দাবি, ভারতের অধিকাংশই মানুষই এ ধরনের পরিষেবার সঙ্গে পরিচিত না। তার বাবারও এ বিষয়ে কিছু জানা ছিল না। তার বাবা ভেবেছিলেন, প্রিপেইড ব্যবস্থার মতো ডেলিভারির সময়ে পণ্যের প্যাকেজটি হাতে এলেই ওটিপি দিয়ে দিতে হয়।

যশস্বী শর্মার অভিযোগ, এ বিষয়ে ফ্লিপকার্ট কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলেও তিনি তাদের কাছ থেকে সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাননি। ফ্লিপকার্টের সিনিয়র কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ তাকে জানান, ওটিপি দিয়ে দেওয়ায় পণ্যটি রিটার্ন নেওয়া সম্ভব না। তাছাড়া, ডেলিভারির সময়ে পণ্যটি ঠিকমতো বুঝে না নেওয়ায় ভুলটা তার বাবারই।

যশস্বী শর্মার অভিযোগ, যিনি ডেলিভারির দায়িত্বে ছিলেন, তিনি তার বাবাকে ওপেন-বক্স পরিষেবার বিষয়ে কিছু জানাননি। এমনকি, সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সবশেষে যশস্বী শর্মা বলেন, তার এক আত্মীয় এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি উপস্থাপন করে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। পরবর্তীতে ফ্লিপকার্টের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে রিফান্ডের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। যদিও যশস্বী এখনও রিফান্ড বুঝে পাননি।

   

About

Popular Links

x