Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঘরে বসে ‘আরাম-আয়েশ’ করে কাজের চিরস্থায়ী সুযোগ!

সম্প্রতি ভারতের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা স্থায়ীভাবে কর্মচারীদের বাড়ি, অফিস কিংবা তাদের পছন্দের যে কোনো জায়গা থেকে কাজ করার অনুমতি দেবে

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৩ পিএম

করোনাভাইরাস মহামারির চরম সময়ে পৃথিবীজুড়ে কর্মজীবীরা সেই দিনগুলোই উপভোগ করেছেন যার আশা মনে মনে কম-বেশি সবাই করেন। আর তা হলো বাড়িতে শুয়ে-বসেই অফিস করা। তবে এক্ষেত্রেও কর্মীরা অফিসে আসতে চান নাকি বাসায় থাকতেন চান সে সিদ্ধান্তও কর্তৃপক্ষই নিতো।

কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব কেউ ভেবে না দেখলেও এবার ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করার স্থায়ী সুযোগ দিচ্ছে।

সফটব্যাংক এবং ফেসবুকের অর্থায়নে পরিচালিত ভারতীয় ই-কমার্স ফার্ম “মিশো” সম্প্রতি জানিয়েছে, তারা স্থায়ীভাবে কর্মচারীদের বাড়ি, অফিস কিংবা তাদের পছন্দের যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করার অনুমতি দেবে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মিশো’র প্রধান নির্বাহী (সিইও) বিদিত আত্রে এক টুইটার পোস্টে বিষয়টি নিশিত করে জানিয়েছেন, “আমরা স্থায়ীভাবে একটি বাঁধনমুক্ত কর্মক্ষেত্রের ধারণা গ্রহণ করছি। এই পদক্ষেপ কর্মীদের কর্মক্ষেত্রের নমনীয়তা ও সুবিধা সংজ্ঞায়িত করার ক্ষমতা দেবে।”

আত্রে তার টুইটে বলেছেন, “মহামারির দুই বছরে দূরবর্তী কাজ সম্পর্কে দীর্ঘকাল ধরে পুষে রাখা ধারণাগুলো ভেঙে দিয়েছে। গত দুই বছরে, কাজ করার নতুন এই উপায়গুলো ‘ভার্চুয়াল কাজ সম্ভব নয়’ নামের বিশ্বাসকে ভেঙে দিয়েছে।”

তিনি জানান, নতুন এই নীতিটি তার প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৭০০ জন কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে। সবার অবশ্যই স্বীকার করা উচিত, কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক নিরাপত্তা তাদের কাজের অবস্থানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আত্রে তার ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করে বলেন, মিশো’র সদর দপ্তর বেঙ্গালুরুতে হবে। আমরা উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় ‘‘স্যাটেলাইট অফিস’’ স্থাপন করবো। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আকৃষ্ট হবে।

এছাড়াও মিশো গোয়া এবং সিমলার মতো জায়গায় বার্ষিক “কাজের” সুযোগ দেবে। অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে এবং পরবর্তী তিন মাসের পরিকল্পনা করার জন্য কর্মচারীরা প্রতি ত্রৈমাসিকে ব্যক্তিগত সামিটও করবে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, মিশো’র প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আশীষ কুমার সিং এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এর ফলে বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রতিভাকে ভারতের সঙ্গে কাজের সুযোগ করে দেবে।

শুধু যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করার সুযোগই নয়, কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুদের জন্যও মিশো “ডে-কেয়ার” সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের যেকোন জায়গায় ডে-কেয়ার সুবিধা স্পন্সর করবে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর অনেকেই মিশো’র এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

   

About

Popular Links

x