Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিপন্ন দুটি গাছের প্রজাতি পেরুতে খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

এই প্রজাতি সাধারণত প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৫০০ থেকে ১৬,৪০০ ফুট ওপরে জন্মায়

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৫:৪৮ পিএম

দেখতে অনেকটা কেকের মতো। আয়ুষ্কাল দুই বছর। রঙ গোলাপী হলেও ঋতুর সঙ্গে সেটি বদলে যেতে থাকে। প্রকৃতিতে এই উদ্ভিদের নাম “ভায়োলা অর্নাটা” ও “ভায়োলা লংজিব্র্যাক্টোলাটা”।

বিশ্বের খুব কম অঞ্চলেই দেখা মেলে এই উদ্ভিদের। বিশেষ করে পেরুর কিছু অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল এটি। তবে খনি খনন ও ভূমির ধরণ পরিবর্তনে দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছিল এই প্রজাতি। বিজ্ঞানীরা তাই এই উদ্ভিদকে ঘোষণা করেছিলেন বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে।

সম্প্রতি এই উদ্ভিদের সন্ধান পেতে পেরুতে খোঁজাখুঁজি চালান দেশটির স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ভিদবিদদের একটি দল। সেখানে খুঁজেও পান এই উদ্ভিদ।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) দেশটির সান মার্কোস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

উদ্ভিদবিদরা জানান, ভায়োলার নিও-অ্যান্ডিনিয়াম সাবজেনাসের অন্তর্গত “ভায়োলা অর্নাটা” ও “ভায়োলা লংজিব্র্যাক্টোলাটা”র মতো আরও মোট ১৫টি প্রজাতি পেরুতে দেখা যায়। কিন্তু দিনে দিনে এটি বিপন্ন হয়ে পড়ে।

তারা বলেন, খনির কার্যকলাপের কারণে এই উদ্ভিদ হারিয়ে গেছে বলেই মনে করা হতো।

এই প্রজাতি সাধারণত প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৫০০ থেকে ১৬,৪০০ ফুট ওপরে জন্মায়।

উদ্ভিদবিদরা জানান, এটি বহুবর্ষজীবী ভেষজ। দেখতে বেশ লোমযুক্ত। গোলাপের মতো ছোট ছোট ফুল হয়। এছাড়া এটি ঋতুর সঙ্গে সঙ্গে নিজের রঙ পরিবর্তন করে পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায়।

এক বিবৃতিতে বলা হয়, খনি শোষণের কারণে এই উদ্ভিদের সম্ভাব্য আবাসস্থলের গুণমান হ্রাস পেয়েছে। ফলে এটি বিপন্ন। তবে খোঁজাখুঁজি করে ফের এটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

About

Popular Links