মালদ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে ভারত। মালদ্বীপে প্রায় ৭৫ সদস্যের ভারতীয় সেনাদলের উপস্থিতি রয়েছে। রবিবার (৪ ডিসেম্বর) মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু এ কথা জানান।
সেপ্টেম্বর মাসে মালদ্বীপে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ভারতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসা ও মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের অপসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার চালান মুইজ্জু।
বিজয়ের পরই দেশটিতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক সাক্ষাতে সেনাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রবিবার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, “একের পর এক গঠনমূলক বৈঠক ও আলোচনার পর ভারতের সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে নয়াদিল্লি সরকারের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।”
তবে সৈন্য প্রত্যাহার কবে করা হবে তা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
দুবাইয়ে কপ-২৮ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর মধ্যে বৈঠকের পর সৈন্য প্রত্যাহারের কথা জানায় মালদ্বীপ।
মুইজ্জু রবিবার বলেন, “আমাদের আলোচনায় ভারত সরকার ভারতীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।”
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা উন্নয়ন প্রকল্পসংক্রান্ত ইস্যুর সুরাহায় একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করতেও সম্মত হয়েছি।”
নয়াদিল্লিতে ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। উভয় পক্ষই ভারতের সহায়তার গুরুত্বের কথা স্বীকার করেছে।”
তবে ভারতের এই কর্মকর্তা মুইজ্জুর মন্তব্যের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি।
ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপে প্রভাব বিস্তারের জন্য ভারত ও চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।
মালদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুকে চীনপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার পূর্বসূরি ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ ভারতপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।



