অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। পাকিস্তান জানিয়েছে যে ভারতের হামলায় ৩১ জন নিহত এবং ৫৭ জন আহত হয়েছে।
এদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর পাকিস্তানি গোলাগুলিতে কমপক্ষে ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে নেতারা ভারত ও পাকিস্তানকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে যদি সাহায্য লাগে, তিনি তা করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা "নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ" করছে। দুটি দেশকেই "দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি দায়িত্বশীল সমাধানের দিকে কাজ করার" আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
তবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের কথা বললেও ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, এমন সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশে এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত অনুপস্থিত।
এমন উত্তপ্ত সময়ে স্থানীয়ভাবে কর্মরত রাষ্ট্রদূতেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতেন।
এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রথম মেয়াদে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত টিম রোমার বিবিসিকে বলেন, “ওই ব্যক্তি দিল্লিতে উভয় পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে পারতেন, কূটনীতিতে নীরব থাকতেন এবং একজন নীরব মধ্যস্থতাকারী হতেন,”
ভারত ও পাকিস্তানে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিশ্চিত করা “আবশ্যক” বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
টিম রোমার বিবিসিকে আরও বলেন, “আমাদের এমন রাষ্ট্রদূত রয়েছে যাদের ইসরায়েল, চীন এবং দক্ষিণ আমেরিকার জন্য মনোনীত বা নিশ্চিত করা হয়েছে... গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভারতের অবস্থান শীর্ষে।”
উল্লেখ্য, মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের মার্কিন সিনেটে মনোনয়ন এবং নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় যার জন্য সময় লাগতে পারে - ট্রাম্প প্রশাসন সবেমাত্র ১০০ দিন অতিক্রম করেছে।



ডয়চে ভেলে ফ্যাক্ট চেক: অপারেশন সিঁদুর-এর পর ছড়াচ্ছে ভুয়া খবর