Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পাকিস্তানে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ালো

সাম্প্রতিক বন্যায় মৃতদের মধ্যে অন্তত ৯৬ জন শিশু রয়েছে

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম

পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বন্যায় অন্তত ২০২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুমে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৬ জন শিশু রয়েছে।

শনিবার (১৯ জুলাই) পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাত দিয়ে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঞ্জাব প্রদেশে ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ৪০ জন, সিন্ধু প্রদেশে ২১ জন, বেলুচিস্তানে ১৬ জন এবং ইসলামাবাদ ও আজাদ কাশ্মীর অঞ্চলে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।

এদের বেশির ভাগই প্রাণ হারিয়েছেন বাড়ি বা ভূমিধসের কারণে। এর মধ্যে অন্তত ১১৮ জন নিহত হয়েছেন বাড়ি ধসে, ৩০ জন আকস্মিক বন্যায়। অন্যান্যরা ডুবে যাওয়া, বজ্রপাত, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এবং ভূমিধসের কারণে মারা গেছেন। প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ১৮২ জন শিশুসহ ৫৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডিতে আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বাজার  ভেসে গেছে। ধামিয়াল, হাতি চক ও মর্গাহ এলাকা পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। টেঞ্চ ভাটা ও ফৌজি কলোনিতে পানির স্তর বিপজ্জনক সীমানায় রয়েছে। কিছু এলাকায় পানি ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় বাসিন্দারা বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে, ফয়সালাবাদে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, গত দুদিনে ১১ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন। দুর্বল অবকাঠামোগুলো ধসে পড়ার কারণেই বেশির ভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার জানিয়েছে, তাদের বাড়িঘর মেরামতের পর্যাপ্ত অর্থ নেই।

পাঞ্জাবের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। চাকওয়ালে ৪৫০ মিমি বৃষ্টিপাতের পর কমপক্ষে ৩২টি রাস্তা ভেসে গেছে। কাছাকাছি খেওয়াল গ্রামে বাড়ি ধসে একাধিক মানুষ মারা গেছেন, যার মধ্যে এক পিতা ও পুত্র রয়েছেন। বেশ কয়েকটি অঞ্চলে এখনও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিদ্যুৎ চালু করা যায়নি।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও মেরামত কাজ চলছে। ঝিলাম, পিন্ড দাদন খান, কাল্লার কাহার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বন্ধ রাস্তাগুলো চালু করতে কাজ চলছে। রাওয়ালপিন্ডির কারোলি ধোক ব্রিজ এলাকায় বৃষ্টিতে রাস্তা ধসের কারণে তৈরি ফাটল মেরামত করা হয়েছে। সেখানে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।

   

About

Popular Links

x