Friday, October 09, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিপ্লবী চে গুয়েভারার মৃত্যুদিবস আজ

মৃত্যুর প্রায় ছয় দশক পরও তার জীবন, দর্শন ও বিপ্লবী ভূমিকা বিশ্বজুড়ে আলোচিত 

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

বিপ্লব, সাম্যবাদ, কমিউনিস্ট নেতা ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত আর্জেন্টাইন বিপ্লবী চে গুয়েভারার মৃত্যুবার্ষিকী আজ (৯ অক্টোবর)। 

১৯৬৭ সালের এই দিনে বলিভিয়ায় ৩৯ বছর বয়সে নিহত হন তিনি। মৃত্যুর প্রায় ছয় দশক পরও তার জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও বিপ্লবী ভূমিকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। 

১৯২৮ সালে আর্জেন্টিনার সান্তা ফে শহরে তার জন্ম। ইতিহাস নন্দিত এই বিপ্লবীর পুরো নাম আর্নেস্তো গুয়েভারা দে লা সেরনা। কিউবায় সফল বিপ্লবের পর দেশটির জনগণ ভালোবেসে তার নাম দেয় ‘চে’। স্প্যানিশ ভাষায় ‘চে’ শব্দের অর্থ ‘প্রিয়’। 

চে গুয়েভারা পেশায় ছিলেন একজন চিকিৎসক। তারপরও তিনি ছিলেন একাধারে বিপ্লবী, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ ও সমরবিদ। ১৯৫৫ সালে ঘটনাক্রমে মেক্সিকো সিটিতে নির্বাসিত কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ও রাউল কাস্ত্রোর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তিনি ফিদেল কাস্ত্রোর দলে যোগ দিয়ে কিউবার তৎকালীন একনায়ক বাতিস্তাকে উৎখাত আন্দোলনে যুক্ত হন। দুই বছরব্যাপী চলা এই আন্দোলন সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে চে হয়ে ওঠেন কাস্ত্রো ভাইদের কাছের মানুষ এবং পরে কিউবার শিল্পমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। 

চে গুয়েভারা ছিলেন আজন্ম বিপ্লবী। তিনি নতুন দেশে বিপ্লবের আশায় কিউবা ত্যাগ করেন। 

এরপর চে তার সহযোদ্ধাদের নিয়ে চলে যান বলিভিয়ায়। সেখানে গিয়ে শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট স্বৈরশাসক বারিয়েন্তোসের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ। বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধরত অবস্থায় গুরুতর আহত হয়ে বন্দি হন চে। দেশটির লা হিগুয়েরা নামে একটি শহরের স্কুলঘরে সারারাত আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরদিন ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ার সেনাবাহিনী তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। মৃত্যুর পর সমাজতন্ত্র অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হন চে গুয়েভারা। 

চে গুয়েভারার এক বিখ্যাত কথা এখনো বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তা হচ্ছে- “আমার কোনো দেশ নেই, ধর্ম নেই। পৃথিবীর যে প্রান্ত থেকে ক্ষুধার চিৎকার শোনা যাবে সেই পর্যন্ত আমার বিস্তৃতি।” 

   

About

Popular Links

x