গত রবিবার রাতে তাকে ফেনী শহরের পূর্ব উকিলপাড়ার বাসা থেকে তাকে করে সিআইডি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ইমাম হোসেন নোয়াখালীর সুধারাম থানার খলিফার হাট এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে। তিনি ফেনী শহরের পূর্ব উকিলপাড়ায় বসবাস করতেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও চিত্র দেখে এবং আদালতে দেওয়া অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে যাদের নাম ও তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ লোক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটা দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কোরআন অবমাননার প্রতিবাদের নামে জড়ো হয়ে ফেনীতে হিন্দুদের আশ্রম, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার তিন আসামি ফেনীর আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ইমাম হোসেনের নাম বলেছেন। রবিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আজ ইমাম হোসেনকে আদালতে পাঠানো হলে তিনিও ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এ সময় তিনি ওই দিনের ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন।
ওই দিন রাতে হিন্দুদের আশ্রম, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলা ফেনী থানা-পুলিশ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ইমাম হোসেনসহ ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ফেনীতে মন্দিরে হামলার ঘটনায় আরও একজনের স্বীকারোক্তি
রবিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আজ ইমাম হোসেনকে আদালতে পাঠানো হলে তিনিও ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন
ফেনীতে আশ্রম, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে ইমাম হোসেন রনি ওরফে আদর (১৮) নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ খানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি কালে দায় স্বীকার করে সে।
গত রবিবার রাতে তাকে ফেনী শহরের পূর্ব উকিলপাড়ার বাসা থেকে তাকে করে সিআইডি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ইমাম হোসেন নোয়াখালীর সুধারাম থানার খলিফার হাট এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে। তিনি ফেনী শহরের পূর্ব উকিলপাড়ায় বসবাস করতেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও চিত্র দেখে এবং আদালতে দেওয়া অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে যাদের নাম ও তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ লোক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটা দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কোরআন অবমাননার প্রতিবাদের নামে জড়ো হয়ে ফেনীতে হিন্দুদের আশ্রম, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার তিন আসামি ফেনীর আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ইমাম হোসেনের নাম বলেছেন। রবিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আজ ইমাম হোসেনকে আদালতে পাঠানো হলে তিনিও ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এ সময় তিনি ওই দিনের ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন।
ওই দিন রাতে হিন্দুদের আশ্রম, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলা ফেনী থানা-পুলিশ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ইমাম হোসেনসহ ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বিষয়: