প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে বগুড়ায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রদল। পাশাপাশি, তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (০১ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া মহানগরের সাতমাথায় জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের ছবি সংবলিত একটি ব্যানার ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ারে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ। সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের আওতাধীন ২৮টি ইউনিটের নেতারা বক্তব্য দেন।
সমাবেশে হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেন, ‘‘এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও গাজী সালাউদ্দীন তানভীর ফেসবুকে জিয়া পরিবারকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য দিয়েছেন। এ কারণে বগুড়ার সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা তাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। ভবিষ্যতে তারা বগুড়ায় এলে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।’’
সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা সাতমাথা এলাকায় গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে মহানগরের সাতমাথা এলাকায় ‘সাবেক ছাত্রদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধাদের’ ব্যানারে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে বগুড়ায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
বিক্ষোভকারীরা সাতমাথার সপ্তপদী মার্কেটের ওপর টানানো গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। পরে ওই ব্যানারে থাকা তার ছবিতে জুতাপেটা করে আগুন দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।
সরকারি শাহ সুলতান কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা আল মামুন বলেন, ‘‘এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে বগুড়ায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বগুড়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি দাবি করেন।’’



