আফগানিস্তানে বিয়েতে গান বাজানোর ‘অপরাধে’ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা
তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা তালেবানদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে দাবি জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের
কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সশস্ত্র তালেবান সদস্যরা রয়টার্স
ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৩ পিএমআপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৩ পিএম
আফগানিস্তানে একটি বিয়ে বাড়িতে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে তালেবানের বিরুদ্ধে।
এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৩০ অক্টোবর) সংঘটিত এ হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে।
যদিও তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, তিন হামলাকারীর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তারা তালেবানের সঙ্গে জড়িত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “গত রাতে, নানগারহারের শামসপুর মার ঘুন্ডি গ্রামে হাজী মালং জানের বিয়েতে তালেবান” পরিচয়ে তিন অস্ত্রধারী প্রবেশ করে গান বাজানো বন্ধ করে দেয়। এ সময় গোলাগুলিতে কমপক্ষে তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজন সন্দেহভাজনকে তালেবানরা তাদের হেফাজতে নিয়েছে। পলাতক একজনকে এখনও খোঁজা হচ্ছে। ”
এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের বলেন, “তরুণরা বিয়ে বাড়িতে একটি ঘরে বসে গান বাজাচ্ছিল তখন তিন তালেবান অস্ত্রধারী এসে তাদের ওপর গুলি চালায়।”
গ্রেপ্তার হওয়া দুই হামলাকারী নিজেদের ব্যক্তিগত শত্রুতার সূত্র ধরে তালেবানের নাম ব্যবহার করেছে, এমনটি অভিযোগ ওই তালেবান নেতার।
এদিকে, নানগারহার প্রদেশের তালেবান গভর্নরের মুখপাত্র কাজী মোল্লা আদেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানাননি।
নিহতদের এক আত্মীয় জানান, তালেবান অস্ত্রধারীরা গান বাজানোর সময় এসেই গুলি চালানো শুরু করে।
মুজাহিদ এর আগে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ইসলামি আমিরাতে কাউকে সঙ্গীত বা অন্য কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই, শুধুমাত্র তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা ছাড়া।
“যদি কেউ নিজ ইচ্ছায় কাউকে হত্যা করে, এমনকি তারা আমাদের সদস্য হলেও, সেটি একটি অপরাধ। আমরা তাদের আদালতে উপস্থাপন করব এবং তারাও আইনের মুখোমুখি হবে,” বলে মুজাহিদ মন্তব্য করেন।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে পূর্ববর্তী তালেবান সরকার ইসলামিক আইনের অত্যন্ত কঠোর নিয়ম এবং কঠিন শাস্তির বিধান করেছিল। সেই সময় সঙ্গীত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে নতুন সরকার এখনও এই ধরনের নিয়ম জারি করেনি, তবে একে ইসলামি শরিয়া পরিপন্থী হিসেবেই মনে করে তারা।
আফগানিস্তানে বিয়েতে গান বাজানোর ‘অপরাধে’ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা
তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা তালেবানদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে দাবি জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের
আফগানিস্তানে একটি বিয়ে বাড়িতে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে তালেবানের বিরুদ্ধে।
এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৩০ অক্টোবর) সংঘটিত এ হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে।
যদিও তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, তিন হামলাকারীর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তারা তালেবানের সঙ্গে জড়িত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “গত রাতে, নানগারহারের শামসপুর মার ঘুন্ডি গ্রামে হাজী মালং জানের বিয়েতে তালেবান” পরিচয়ে তিন অস্ত্রধারী প্রবেশ করে গান বাজানো বন্ধ করে দেয়। এ সময় গোলাগুলিতে কমপক্ষে তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজন সন্দেহভাজনকে তালেবানরা তাদের হেফাজতে নিয়েছে। পলাতক একজনকে এখনও খোঁজা হচ্ছে। ”
এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের বলেন, “তরুণরা বিয়ে বাড়িতে একটি ঘরে বসে গান বাজাচ্ছিল তখন তিন তালেবান অস্ত্রধারী এসে তাদের ওপর গুলি চালায়।”
গ্রেপ্তার হওয়া দুই হামলাকারী নিজেদের ব্যক্তিগত শত্রুতার সূত্র ধরে তালেবানের নাম ব্যবহার করেছে, এমনটি অভিযোগ ওই তালেবান নেতার।
এদিকে, নানগারহার প্রদেশের তালেবান গভর্নরের মুখপাত্র কাজী মোল্লা আদেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানাননি।
নিহতদের এক আত্মীয় জানান, তালেবান অস্ত্রধারীরা গান বাজানোর সময় এসেই গুলি চালানো শুরু করে।
মুজাহিদ এর আগে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ইসলামি আমিরাতে কাউকে সঙ্গীত বা অন্য কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই, শুধুমাত্র তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা ছাড়া।
“যদি কেউ নিজ ইচ্ছায় কাউকে হত্যা করে, এমনকি তারা আমাদের সদস্য হলেও, সেটি একটি অপরাধ। আমরা তাদের আদালতে উপস্থাপন করব এবং তারাও আইনের মুখোমুখি হবে,” বলে মুজাহিদ মন্তব্য করেন।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে পূর্ববর্তী তালেবান সরকার ইসলামিক আইনের অত্যন্ত কঠোর নিয়ম এবং কঠিন শাস্তির বিধান করেছিল। সেই সময় সঙ্গীত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে নতুন সরকার এখনও এই ধরনের নিয়ম জারি করেনি, তবে একে ইসলামি শরিয়া পরিপন্থী হিসেবেই মনে করে তারা।