“সাত কলেজের” সঙ্গে না থেকে সরকারি তিতুমীর কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করাসহ সাত দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রাস্তায় অবস্থান নিয়ে তিতুমীরকে বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলেজটির মূল ফটকের সামনে “তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে আমরণ অনশন” শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৭ দফা দাবি জানান।
আন্দোলনকারীদের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের পাঁচজন বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরের দাবিতে অনশনে ছিলেন। ক্যাম্পাস শাটডাউন থাকার পরও অধ্যক্ষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের করছেন। অনশনরতরা অসুস্থ হওয়ার পরও তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেন নাই। উল্টো তাদের দিকে মাইক দিয়ে গান-বাজনা চালাচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।”
আন্দোলনকারীদের “তিতুমীর ঐক্যর” সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো গঠনে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। এই দাবি মানা না হলে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে মহাখালীতে সড়ক ও রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে “শাটডাউন তিতুমীর” কর্মসূচি পালনের ঘোষণাও দেন।
তারও আগে গত ১৮ নভেম্বর মহাখালীর আমতলী, কাঁচাবাজার ও রেলক্রসিংয়ে শত শত শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। পরদিন ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে “ক্লোজডাউন তিতুমীর” কর্মসূচি দেন। এরপর ৩ ডিসেম্বর তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ওই কমিটি “যথাযথভাবে” কাজ করছে না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।



আমরণ অনশনে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা