ঢাকার তিতুমীর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে অনশন ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন কলেজটির একদল শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পাশাপাশি তারা প্রতিষ্ঠানটিতে সাংবাদিকতা ও আইন বিভাগ চালুর দাবি জানিয়েছেন। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন এ দুই বিভাগ খুলে অনার্স কোর্স চালু করার দাবি করেছেন তারা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে কলেজটির শিক্ষার্থীরা কেন এই দুইটি বিভাগ চালুর দাবি করছেন। এই দাবির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর আন্দোলনের প্লাটফর্ম “তিতুমীর ঐক্যের” নেতা আমিনুল ইসলাম অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, “বর্তমান সমাজে আইন ও ন্যায়বিচারের গুরুত্ব অপরিসীম। আইন বিষয়ে ভালো শিক্ষা প্রদান করলে তরুণরা ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়াতে সক্ষম হবে এবং সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।”
তিনি মনে করেন, তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় হলে তারা চান সব সময় চান সেটা হবে বিশ্বমানের একটি বিদ্যাপীঠ। তাই আইনবিদ ও বিচারকদের নতুন প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম চালু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকতা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর যৌক্তিকতা তুলে ধরে আমিনুল বলেন, “বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা সমাজের চোখ ও কণ্ঠ হিসেবে কাজ করে। আমরা বলে থাকি সাংবাদিকরা হল সমাজের দর্পণ। তাই এই বিষয়টির সঠিক শিক্ষা দিলে তরুণরা পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দক্ষতা অর্জন করতে পারবে এবং দেশের সংবাদমাধ্যমের মান আরও উন্নত হবে।”
আমিনুল মনে করেন তাদের দাবি মেনে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর এবং নতুন দুটি বিষয়ে কোর্স চালু করা হলে তাতে শিক্ষালয়টির সুনাম বাড়ভে। এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। এই দুটি বিষয়ে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন অনশনরত এই শিক্ষার্থী।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোনো কলেজে এ দুটি বিষয় পড়ানো হয় না। তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকা অবস্থায়ও ঢাকার সাত কলেজে এ দুটি বিষয় ছিল না।



