কোরবানির বর্জ্যে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি 

ঈদ-উল-আজহা শেষ। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক, অলিগলি ও ড্রেনে পড়ে থাকা কোরবানির পশুর বর্জ্য বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। কোথাও স্তূপ করে রাখা নাড়িভুঁড়ি, কোথাও রক্তমাখা পানি, আবার কোথাও পশুর চামড়া ও খুর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় নগরজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। 

গরম আবহাওয়ার কারণে এসব বর্জ্য দ্রুত পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। 

শনিবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, রামপুরা, মালিবাগ, শান্তিনগর, মগবাজার, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অনেক জায়গায় এখনো সড়কের পাশে পড়ে আছে কোরবানির বর্জ্য। কোথাও ড্রেনের মুখ আটকে আছে বর্জ্য, কোথাও আবার জমে থাকা রক্ত ও ময়লা পানিতে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। 

তবে, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে আগেভাগেই সময়সীমা ঘোষণা দিয়েছিল রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম ৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ১২ ঘণ্টার আগেই বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দেন। 

কিন্তু, দুই সিটির নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকায় পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। 

বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সড়কের পাশে জমে থাকা রক্ত, নাড়িভুঁড়ি ও উচ্ছিষ্ট থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে দেখা যায়। 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোথাও কোথাও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দ্রুত কাজ করলেও সব এলাকায় সমানভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। বিশেষ করে ভেতরের সড়ক ও অলিগলিতে বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি দেখা গেছে।