ধর্ষণের পর রক্তাক্ত শিশুকে খুন, আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিলো আদালত

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ৮ বছরের স্কুলছাত্রী ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি মফিজের মৃত্যুদণ্ড আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (জুলাই ২৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারক ইয়াসির আরাফাত এই রায় দেন। এসময় আসামিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি বদিউল আলম সুজন।

ওই আসামির নাম মফিজুল ইসলাম মফু। তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়নের খিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ধর্ষণের পর হত্যাকান্ডের শিকার ওই শিশু একই এলাকার জাকির হোসেনের একমাত্র মেয়ে তাজরিনা সুলতানা ঝুমুর।

জানা গেছে, শিশু ঝুমুর স্থানীয় সোনালী শিশু শিক্ষা বিদ্যানিকেতন কিন্ডারগার্টেনের ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কিন্ডারগার্টেন থেকে আসার পথে দণ্ডপ্রাপ্ত মফিজুল তাকে রাস্তার পাশের ধানের জমিতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় শিশু ঝুমুর রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার চেচামেচি করলে মফিজুল তার মুখ ও গলা চেপে ধরে। শ্বাসরুদ্ধ হয়ে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তার নড়াচড়া না দেখে তার কানের দুল ছিড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৩০ এপ্রিল রাতে র‍্যাব মফিজুলকে গ্রেপ্তার করে। সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন র‍্যাবের তৎকালীন অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ পাশা।

আইনজীবী বদিউল আলম বলেন, “নির্মম ঘটনার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট তবে দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন হলে অপরাধীরা অপরাধ করতে ভয় পাবে। এতে অপরাধের প্রবণতা কমবে।”