সাজেকে কক্ষ না পেয়ে বারান্দা-ক্লাবঘরে রাত কাটালেন ৪০০ পর্যটক

মেঘের বাড়ী খ্যাত রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে পর্যটকের ঢল নেমেছে। শুক্রবার দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের বিভিন্ন হোটেলের বারান্দা, যানবাহন ও স্থানীয় ক্লাবঘরে রাত কাটাতে হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছেন। 

সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, গতকাল সাজেকে প্রচুর পরিমাণ পর্যটক ঘুরতে এসেছেন যা ধারণ ক্ষমতার বাইরে ছিল। এতে প্রায় ৪০০ পর্যটককে বাইরে রাত কাটাতে হয়েছে। আরও প্রায় ২০০ পর্যটক রিসোর্টে রুম না পেয়ে ফিরে গেছেন।

সাজেক কুঁড়েঘর রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “গতকাল সাজেকে প্রায় ৪-৫ হাজার পর্যটক এসেছেন। কিন্তু রিসোর্টের সব রুম বুকিং থাকায় আমাদের করার কিছু ছিল না।”

খাগড়াছড়ি সাজেক সড়কের মাহিন্দ্র চালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “গতকাল শুক্রবারে সাজেকের উদ্দেশ্যে খাগড়াছড়ি থেকে মাহিন্দ্রা, পিকআপ, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ হাজারের ওপরে গাড়ি সাজেকে প্রবেশ করেছে। এতে প্রায় চার-পাঁচ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।”

সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন বলেন, “গতকাল শুক্রবার সাজেকে ধারণাতীত পর্যটক ভ্রমণ করছেন। এতে প্রায় ৫ হাজারের ওপরে পর্যটক হবে। আমাদের এখানে ১১৬টি রিসোর্টের সবগুলো রুম বুকিং হয়ে গেছে। এখানে রিসোর্টের পর্যটকের ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৩ হাজার। কিন্তু তার চেয়ে পর্যটক বেশি হওয়ায় রুম না পেয়ে অনেক পর্যটক ফিরে গেছে। আর ৪০০’র মতো পর্যটক রিসোর্টের বারান্দায়-ক্লাব ঘরে রাত যাপন করেছেন।”

রাহুল চাকমা সাজেক ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক পর্যটকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যারা সাজেকে আসবেন তারা আগে থেকে রিসোর্ট বুকিং করে আসবেন। তাহলে কাউকে কষ্ট পেতে হবে না।”

সাজেক ইউপি সচিব বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “শুক্রবার সাজেকে প্রচুর পরিমাণে টুরিস্ট ভ্রমণ করেছেন যা এর আগে কখনো একসঙ্গে এত পর্যটক চোখে পড়েনি।”