কর্পূর গাছ থেকে সাদা রঙের এক ধরনের উপাদান পাওয়া যায়, যা আমরা কর্পূর নামেই চিনে থাকি। এটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হওয়ার পাশাপাশি রাসায়নিকভাবেও তৈরি করা যায়।
বহুকাল আগে থেকেই মানুষ বিভিন্ন কারণে কর্পূরের ব্যবহার করে আসছে। কীটপতঙ্গ দূর করা থেকে পরিবেশ বিশুদ্ধ রাখার জন্যও কর্পূর ব্যবহৃত করা হয়।
আর কী কী উপকারে আসে কর্পূর, আসুন জেনে নিই:
কফ সারাতে
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বহুদিনের পুরোনো কফ সারাতে কর্পূর বেশ উপকারি ভূমিকা রাখে। সেক্ষেত্রে, এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা কর্পূরের তেল মিশিয়ে বুকে মালিশ করলে বেশ ভালো উপকার পাওয়া যাবে।
নাক বন্ধ হওয়া দূর করে
সর্দির কারণে নাক বন্ধ থাকলে কর্পূরের তীব্র গন্ধে নাক বন্ধ হওয়া দূর করতে পারে। গরম সরিষার তেলের সঙ্গে কর্পূর বা কর্পূরের তেল মিশিয়ে সেই তেল আস্তে আস্তে নাকের চারপাশে ও বুকে মালিশ করলে নাক বন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
শরীরের ব্যথা দূর করে:
কর্পূর মাংসপেশি সহ শরীরের ব্যথা দূর করে। মাংসপেশিতে কর্পূরের তেল মালিশ করলে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে।
উকুন মারতে
মাথার উকুন মেরে ফেলতে কর্পূর বেশ কার্যকরী। নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা কর্পূর তেল মিশিয়ে চুলে মাখিয়ে রেখে কয়েক ঘণ্টা পর চুল পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেললে উকুন মরে যায়।
ব্রংকাইটিস দূর করে
কর্পূর ব্রংকাইটিসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। বাজারে কর্পূরযুক্ত রাব বা জেল পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করলে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় জানা গেছে।
পাইলসের সমস্যা কমায়
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলসের কারণে হওয়া ফোলা ও ব্যথা কমাতে ও পাইলস সারিয়ে তুলতে কর্পূর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেক্ষেত্রে নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা কর্পূর মিশিয়ে তা ফোলা জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।