ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যে অভ্যাসগুলো বদলানো জরুরি

ভয়ঙ্কর এক মরণব্যাধী হলো ক্যান্সার। প্রতিনিয়ত এর আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই মরণব্যাধী হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো পাওয়া যায়নি। অনেকেই ধারণা করে থাকেন, জিনগত কারণে ক্যান্সার হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসকদের মতে, ক্যান্সার হওয়ার দুটি বড় কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, জিনগত কারণ আর দ্বিতীয়ত লাইফস্টাইল অর্থাৎ জীবন পরিচালনার দিক। পরিবারে কারও ক্যান্সার থাকলে, পরবর্তী প্রজন্মেরও তা হওয়ার সম্ভবনা থেকে যায়। এছাড়াও ক্যান্সার হওয়ার ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ওজন, অনিয়মিত খাদ্যাভাস, ধূমপান করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এই অভ্যাসগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ক্যান্সারে ঝুঁকি কমাতে যে অভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করতে হবে।

১. ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। ওজন অত্যধিক বেড়ে গেলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করা জরুরি। তাতে ওজন কমানো সম্ভব।

২. শাকসব্জি, ফলমূল বেশি করে খেতে হবে। সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বীজ, বাদাম খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। ‘‘ইউসি স্ক্যান সানফ্রান্সিসকো’’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ভিদজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে ৪৭%।

৩. প্রসেসড ফুড খাওয়া কমাতে হবে। ভাজাপোড়া, মুখরোচক খাবার, পানীয় খাওয়ার ঝোঁক কমানো জরুরি। সময় বাঁচাতে এখন প্রক্রিয়াজাত প্রাণিজ খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এই ধরনের খাবারে কৃত্রিম চিনি ও সোডিয়াম মিশ্রিত থাকে। এগুলো খেলে ওজন বাড়তে থাকে। আর স্থূলতার সঙ্গে যোগ রয়েছে ক্যান্সারের।

৪. যে সব খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি, সেগুলো খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে। ফাইবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৫. সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও কিন্তু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার নেপথ্যে এই অতিবেগুনি রশ্মির বড় ভূমিকা রয়েছে। তাই রোদে বেরোলে সানগ্লাস ব্যবহার করা জরুরি। সানস্ক্রিন মাখতে ভুলে গেলে চলবে না।