সাইকেল চালালে কমে যায় শুক্রাণু? যা বলছে গবেষণা

অতিরিক্ত সাইকেল চালানোয় কমে যেতে পারে শুক্রাণু! সম্প্রতি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রাত্যহিক বা রোজের যাতায়াতে সাইকেল চালালে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা বা প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা সাইক্লিং করে গেলে তখন তা ক্ষতিকর হতে পারে। 

বিশেষ করে খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ও যারা জিমে টানা ২-৩ ঘণ্টা একইভাবে বসে সাইক্লিং করে যান, তাদের ক্ষতির আশঙ্কা বেশি বলেও ওই গবেষণায় বলা হয়েছে।

যেভাবে প্রভাব পড়ে প্রজনন স্বাস্থ্যে

শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে ২-৪ ডিগ্রি কম থাকে শুক্রাশয়ের তাপমাত্রা। আর এই পরিবেশেই শুক্রাণুর উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে হবে। তবে শুক্রাশয়ের তাপমাত্রা যদি বৃদ্ধি পায়, তা হলে শুক্রাণুর উৎপাদনে প্রভাব পড়বে।

অর্থাৎ ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা প্রতিদিন টানা সাইকেল চালালে শুক্রাশয়ের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

দীর্ঘসময় সাইকেলের সিটে চেপে বসে থাকার কারণে অণ্ডকোষ ও পেরিনিয়াম অঞ্চলে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে ওই এলাকার রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয় যা শুক্রাণুর গুণমান ও গতিশীলতার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

কাদের ঝুঁকি বেশি?

পেশাদার খেলোয়াড় যারা প্রতিদিন বা সপ্তাহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র ভাবে সাইকেল চালান। একইসঙ্গে শরীরে আগেই শুক্রাণুর সংখ্যা কম, তারা অতিরিক্ত সাইকেল চালালে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান শুক্রাণুর মান ও গতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলে।