নবজাগরণের গান নিয়ে প্রকৃতিতে এসেছে বসন্ত। সঙ্গে ভালোবাসা দিবস। সব মিলে চারিদিকে আজ ফুল আর রঙিন পোশাকে মাখামাখি। আনন্দে উদ্বেল সব বয়সী জুটি।
যদিও বলা হয়, ভালোবাসার জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন হয় না। বছরের প্রতিদিনই প্রেমের উৎসব হতে পারে। তবুও এমন একটি দিনে প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যের অনুভূতি কে না চায়? কিন্তু বসন্ত সব সময়ে সকলের জীবনে প্রেম নিয়ে আসে না। যাদের জীবনে প্রেম আসেনি তাদের কাছে এই দিনটিতে একা থাকার যন্ত্রণা যেন আরও বেশি পেয়ে বসে।
তবে, মন খারাপ যেন আরও বেশি জেঁকে না বসে সেজন্য ভালোবাসা দিবসের হইচই থেকে নিজেদের আড়াল করে রাখতে সঙ্গীহীনরা বিশেষ কিছু উপায়ে দিনটি উপভোগ করতে পারেন।
ভালোবাসা দিবসে কোনো পরিকল্পনা নেই এমন বন্ধুর সঙ্গে সারাটা দিন কাটাতে পারেন। তাকে আপনার বাড়িতে ডেকে নিতে পারেন। কিংবা একসঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন। তাহলে কিছুটা হলেও মনখারাপ ভাগ করে নিতে পারবেন।
ভালোবাসার এই দিনে অনেকেই তার সঙ্গীর সাথে রেস্তরাঁর নিভৃত কোণে মগ্ন থাকবেন। শহরের প্রায় প্রতিটি রেস্তরাঁর চিত্রটি এমনই হয়ে উঠবে। সেক্ষেত্রে মনের ভার বাড়াতে একটা দিন না হয় রেস্তরাঁয় না গেলেন। তাই যাদের সঙ্গী নেই তাদের রেস্তোরাঁ এড়িয়ে চলাই ভালো। এদিন অনলাইনে অর্ডার দিয়ে পছন্দের খাবার বাড়িতে আনিয়ে নিতে পারেন।
খাবারের স্বাদ আর ঘ্রাণ মন ভালো করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। ভালোবাসার দিন বলে নয়, সারাবছর যেকোনো বিষণ্নতার অন্যতম সঙ্গী হতে পারে রকমারি খাবার। মনের যত্ন নিতে এ দিন ডায়েট না করলেও চলে। এক দিন ভালো-মন্দ খেলে খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। আইসক্রিম খেতে ভালোবাসলে, আনিয়ে রাখুন।
এদিন রেস্তরাঁর “ক্যান্ডেললাইট ডিনার” বাড়িতেই আয়োজন করুন। প্রতিদিন যেভাবে রাতের খাবার খান, একদিন তার ব্যতিক্রম হলে মন্দ হবে না। একার জন্য এতো কিছু আয়োজন করতে ইচ্ছা না করলে, “সিঙ্গেল” বন্ধুদের ডেকে নিতে পারেন। সবাই মিলে সময়টা ভালোই কেটে যাবে।
এই ভালোবাসা দিবসের দিনে বিশেষ কাজ না থাকলে, বাড়িতে বসে পছন্দের মুভিগুলো দেখে নিতে পারেন। যেগুলো অনেক দিন ধরে দেখবেন বলে ভেবে রেখেছেন কিন্তু সময় করতে পারেননি। চাইলে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন সিনেমাহলের আবহ। পপকর্ন, কোমল পানীয় খেতে খেতে সিনেমার পর্দায় চোখ রাখলে দেখবেন, মনখারাপ মেঘের মতো কোথায় যেনো ভেসে গেছে।