জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘‘এক কথায় বলতে গেলে, এই পুরো বাজেট প্রক্রিয়াটি হচ্ছে এদেশের দরিদ্র মানুষকে শোষণের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের সাজানো একটি হাতিয়ার! এই কল্পনার ফানুস একদিকে দেশের বর্তমান ধ্বংসপ্রায় দুর্নীতিগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে এবং অন্যদিকে দেশের গণমানুষের চলমান ত্রাহি ত্রাহি অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে এক নিষ্ঠুর খেলা মাত্র।’’
শুক্রবার (৭ জুন) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘‘দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তায় এ বাজেট দেওয়া, না দেওয়ার কোনোরকম সম্পর্ক তো নেইই, বরং এই অলিগার্কিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সরকারের নির্বাচন নাটকের পরে আগামী বছরের এই বাজেট সরকার কর্তৃক জনগণকে নিয়ে আরও একটি করুণ ও হৃদয়বিদারক প্রতারণার কথাই মনে করিয়ে দেয়।’’
প্রতিক্রিয়ায় মঈন খান উল্লেখ করেন, ‘‘একটি মৌলিক বিষয় হচ্ছে, আওয়ামী লীগ আজ অন্যায়ভাবে গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে আছে। কাজেই এদেশের ১৮ কোটি মানুষের আগামী বছরের ভাগ্য নির্ধারণে জনপ্রতিনিত্ববিহীন এই সরকারের কোনো নৈতিক অধিকার নেই এবং এটাই হচ্ছে আজকের দিনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য!’’
বৃহস্পতিবার ‘‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এটিই তার প্রথম বাজেট ঘোষণা। একইসঙ্গে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগের নতুন সরকারের প্রথম বাজেট।