বিএনপির সঙ্গে ‘যুগপৎ আন্দোলনে’ শরিক দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যুমনায় নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে, নৈশভোজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি জামায়াতে ইসলামীকে।
সোমবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই অনুষ্ঠান হবে বলে তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যুমনায় যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলের দেড় শতাধিক নেতাকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। আমন্ত্রিত নেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে তথ্য দেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনে পর এই প্রথম যুগপৎ আন্দোলনে শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন দলটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
যুগপৎ আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী ছিল না। তাই সোমবারের অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানা গেছে।
যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির শরিক দলগুলোর মধ্যে আছে- গণতন্ত্র মঞ্চের জাতীয় সমাজতান্দ্রিক দল-জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ১২ দলীয় জোটের জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লেবার পার্টি, কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, এলডিপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট-এনডিএম, জাগপা, ডেমোক্রেটিক লীগ, বাংলাদেশ মাইনোরেটি জনতা পার্টি, ইসলামিক পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, এবি পার্টি এবং গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সাম্যবাদী দল, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল।
এছাড়াও বাম গণতান্ত্রিক জোটের সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, সমাজতান্ত্রিক পার্টি এবং জাতীয় গণফ্রন্ট, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামও আন্দোলনে শরিক ছিল।



