গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলার নেতাকর্মীরা। দ্রুত কমিটি স্থগিত না করা হলে মহাসড়ক অবরোধ ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি দিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সদস্য সচিব আরিফ হোসেন ও সহ-সমন্বয়ক রুদ্রকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন তারা।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তারা এসব কথা জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদ্য পদত্যাগকারী যুগ্ম-সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম রাজু বলেন, “৭ লাখ টাকার বিনিময়ে গত বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের দোসর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীদের নিয়ে অফিসিয়াল পেজে নতুন করে পকেট কমিটি প্রকাশ করা হয়। নতুন পকেট কমিটির আহ্বায়ক একজন বহিরাগত, সদস্য সচিব ও যুগ্ম সদস্য সচিব ছাত্রলীগের সঙ্গে হামলা করছে ১৮ জুলাই। মুখপাত্র ছাত্রলীগের সঙ্গে ও আহমেদ অনিক যুবলীগের কর্মী। এ ছাড়া কমিটিতে কমপক্ষে ২০ ছাত্রলীগ ও তার অনুসারীরা আছে “
পদত্যাগকারী যুগ্ম সদস্য সচিব নাসিম খান বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে। এ কারণে এই পকেট কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ইতোমধ্যে প্রায় তিন শতাধিক সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।”
উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ওমর ফারুককে আহ্বায়ক ও নাহিদ মনিরকে সদস্য সচিব করে ৪২১ সদস্য বিশিষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মানিকগঞ্জ জেলা কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।