আবারো কি আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষা

শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬। স্বাভাবিকভাবেই এবারের হট ফেভারিটের তালিকার প্রথমেই আছে ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী মেসির দল। ২০২২ সালে কাতারে আয়োজিত সেই বিশ্বকাপটিকে আর্জেন্টিনার জন্য স্বপ্নপূরণের মঞ্চ বললেও ভুল হবে না। কারণ, থ্রিলার সিনেমার চেয়েও কোনো অংশেই কম ছিল না ফাইনালটি। 

প্রথমে আর্জেন্টিনার একচ্ছত্র আধিপত্য, পেনাল্টিতে এগিয়া যাওয়া, ব্যবধান বাড়ানো, কামব্যাক, আবার ফ্রান্সের এগিয়ে যাওয়া, এরপর আবারও কামব্যাক, শেষে টাইব্রেকার...। যা লিওনেল মেসির মুকুটে জুড়ে দিয়েছিল এক নতুন পালক। আর এসব কিছুর জন্য আর্জেন্টিনা ভক্তদের অপেক্ষা করতে হয়েছে  ১৯৮৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ তিন যুগ!

এখন ভক্তদের মনে শঙ্কা, এবার কি আর্জেন্টিনা পারবে ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা জিতে নিতে, নাকি আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ৩৬ বছরের প্রতীক্ষার পালা!

গেল রবিবার বিশ্বকাপ পূর্ববর্তী প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ এর ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা।  

কিন্তু দারুণ এই খবরটিতে মোটেও খুশি হতে পারছে না মেসি ভক্তরা। কারণ, ইতিহাস বলছে, ১৯৯২ সালে ফিফা র‍্যাঙ্কিং চালুর পর থেকে ক্রমতালিকার শীর্ষে থাকা কোনো দলই বিশ্বকাপ জিততে পারেনি! ছোট্ট একটা পরিসংখ্যান যে এভাবে ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে আর্জেন্টাইন ভক্তদের জন্য, তা কে জানতো!

এরমধ্যে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ, বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন মাত্র আর ৩ দিন বাকি, হট ফেবারিট দলগুলো নিজেদের পূর্ণ শক্তি নিয়ে পুরোদমে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে, ঠিক তখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনামে আর্জেন্টিনা দল। 

তারা বলছে, নীল-সাদা জার্সির দলটা নাকি এখন নিজেই ছোটখাটো এক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে! কারণ, বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের ভেতর, অন্তত সাতজনই চোটে জর্জরিত! ফলে নতুন করে আরো ৩৬ বছর অপেক্ষার ভয় খুব সহজেই কাটছে না নীল-সাদা জার্সিদের।