বিশ্বকাপ এখন শেষ চারে। টুর্নামেন্টের উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালকে সামনে রেখে নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে ফিফা ও ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। নতুন বলটির নাম “ট্রিওন্ডা ফাইনাল”।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতায় এবারও নকআউট পর্বের শেষ চারটি ম্যাচে ব্যবহার করা হবে এই বিশেষ বল। প্রযুক্তিগত দিক থেকে আগের বলের সঙ্গে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও এর নকশা ও রঙে আনা হয়েছে নতুনত্ব।
নতুন বলটির কালো বেসের ওপর সোনালি রঙের প্রাধান্য রাখা হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী বার্তা বহন করে। এছাড়া লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ বলটিকে দিয়েছে আলাদা আকর্ষণীয় রূপ।
বলটির প্যানেলে টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহর ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সির নাম যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আয়োজক শহরের নামও ত্রিভুজাকৃতির বিশেষ গ্রাফিক্সের মাধ্যমে বলের গায়ে স্থান পেয়েছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে “ট্রিওন্ডা ফাইনাল” এ থাকছে অ্যাডিডাসের সংযুক্ত বল প্রযুক্তি। বলের ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর ম্যাচ চলাকালীন তাৎক্ষণিক তথ্য রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে। এর ফলে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি আরও নিখুঁতভাবে অফসাইড সিদ্ধান্ত এবং বল স্পর্শের মুহূর্ত শনাক্ত করতে পারবে।
বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ে আলাদা বল ব্যবহারের বিষয়টি নতুন নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে শুধুমাত্র ফাইনালের জন্য আলাদা বল উন্মোচন করা হয়েছিল। আর ২০০২ সালের আগে বিশ্বকাপ চলাকালে মাঝপথে বল পরিবর্তনের কোনো নজির ছিল না।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে প্রযুক্তি ও নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই নতুন বল মাঠের লড়াইকে আরও নিখুঁত ও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলেই আশা করছে ফিফা।