চলমান দাখিল পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে হঠাৎ করেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় শিক্ষার্থীদের। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নওদাপাড়া-চৌদুয়ার মাধ্যমিক বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গণিত পরীক্ষার দিনে প্রশ্নপত্র সংকটে প্রায় পৌনে একঘণ্টা অপেক্ষায় কাটাতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় যথারীতি এমসিকিউ অংশ দিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়। প্রায় আধাঘন্টা এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। তবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় প্রায় ৬৬পিস প্রশ্নপত্রের গড়মিল দেখা দেয়।
প্রশ্নপত্র না পেয়ে পরীক্ষার হলেই অপেক্ষা করতে থাকে শিক্ষার্থীরা। অনেকের মাঝেই দেখা দেয় উদ্বেগ। সময় গড়াতে থাকলেও পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।
এ অবস্থায় খবর পেয়ে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ দ্রুত কেন্দ্রে পৌঁছান। তিনি নিজ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় প্রশ্নপত্র প্রিন্ট করে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করেন। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় এবং বাড়তি সময় দিয়ে তা শেষ করা হয় পৌনে ২টায়।
আরাফাত নামে এক পরীক্ষার্থী জানায়, আজকে আমাদের গণিত পরীক্ষা ছিল। এমসিকিউ নেয়ার পর প্রশ্ন আসতে প্রায় ৪৫মিনিট দেরি হয়েছে। পরে সময় বাড়িয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
প্রশ্নপত্র বিলম্বে পাওয়ার বিষয়ে মিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নেছার উদ্দীন বলেন, “আমি কোন কেন্দ্রের দায়িত্বে নেই। আর আমার কাছে ওরকম মেসেজ নেই। আমি একটু অন্য জায়গায় ছিলাম আজকে।“
বিলম্বে প্রশ্নপত্র দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে এ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসতিয়াক আহাম্মেদ সাংবাদিককে বলেন, “অভিযোগটা কে দিল? আপনি ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলতে পারেন। আপনার যদি কোন অভিযোগ থেকে থাকে।“
এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ বলেন, “প্রশ্ন কম ছিল ৬৬পিস। আমি নিজে গিয়ে প্রশ্ন প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করে পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এরপর পরীক্ষা শুরু হয়েছে সোয়া ১১টায় এবং পৌনে ২টায় পরীক্ষা শেষ হয়েছে।



