Wednesday, July 22, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে ২০ শিশু

২০২৪ সালে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে তারা মা-বাবার সাথে ভারতে প্রবেশ করে 

আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা ২০ বাংলাদেশি শিশু বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।  

বুধবার (১৩ মে) বিকাল ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ফিরে আসা শিশুদের মধ্যে ১৩ জন মেয়ে ও ৭ জন ছেলে রয়েছে। তারা বাগেরহাট, খুলনা, নড়াইল ও যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। মা-বাবার সাথে তারাও কারাগারে ছিল। শিশুদের সাজার মেয়াদ শেষ হলেও মা-বাবার সাজার মেয়াদ এখনও শেষ হয়নি। বিধায় তাদের মা-বাবাকে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে রয়েছে।   

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের অবৈধপথে পিতা-মাতার সাথে ভারতের পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় যায়। সেখানে তাদের মা-বাবারা বাসা বাড়িতে এবং মাঠে কাজ করতেন। তারা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে মা-বাবার সাথে ভারতে যান।

পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কারাগারে পাঠায়। সাজা শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে পশ্চিমবঙ্গের কিশোলয়া, সুরকন্যা সহ সাতটি শেল্টার হোমে রাখা হয় তাদের। 

ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপহাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত বিশেষ ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, “দেশে ফেরত আসা শিশুদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ মহিলা আইনজীবী সমিতি ও যশোর রাইটস নামের তিনটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।

   

About

Popular Links

x