Friday, July 17, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পদ্মা ব্যারাজের সুবিধা ভোগ করবে চারটি বিভাগের ১৯ জেলা

জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে

আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ব্যারাজটি নির্মাণ করা হবে রাজবাড়ী পাংশার হাবাসপুর পয়েন্টে। তবে শুধু রাজবাড়ী নয় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করা হলে সুবিধা ভোগ করবে চারটি বিভাগের ১৯ জেলার বাসিন্দারা। 

বুধবার (১৩ মে) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাজমিনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। 

সুবিধাভোগী জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা। 

ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ। রাজশাহী বিভাগের পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 

আর বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে সুবিধাভোগী হবে এসব জেলার মানুষরা। 

এদিকে রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ায় খুশির জোয়ারে ভাসছে রাজবাড়ীবাসী। সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে শুভকামনা জানাচ্ছেন অনেকেই। 

রাজবাড়ী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম তার ফেসবুক পেজে- ‘একনেকে পদ্মা ব্যারেজ অনুমোদন হলো। অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে, অভিনন্দন সবাইকে’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন।

রাজবাড়ী-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ তার আইডিতে ‘আজ বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন লাভ করায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টার কার্যালয়ে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং পদ্মা পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এ ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’ লিখে স্ট্যাটাস দেন। 

জানা গছে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। 

জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে। 

 

   

About

Popular Links

x