অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যমুনা সেতুর উপর ও সেতুর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৬ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নারী, শিশু ও ও বৃদ্ধদের।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার বিকেল থেকেইযমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের প্রচুর চাপ রয়েছে। ফলে সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে ঝাঐল ওভারব্রিজ পার হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর উপরে ৭ নম্বর পিলারের কাছে ঢাকামুখী লেনে একটি বাসের পেছনে আরেকটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেতু কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি রেকার দিয়ে সরিয়ে নিলেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আরো যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়। এ যানজট ছড়িয়ে পড়ে যমুনা সেতুর পূর্বপাড় টাঙ্গাইলে। এতে করে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের পৌলি পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুর থেকে আসা নাটোরগামী বাসচালক রুপচান শেখ বলেন, “টাঙ্গাইল থেকে যানজট। মহাসড়কের এলেঙ্গাতে এসে আটকে আছি। গরমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।”
এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ বলেন, “শনিবার প্রায় সব পোশাক কারখানাই খুলে গেছে। এর ফলে গতকাল থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বাড়তে থাকে। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।”
এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “যমুনা সেতুর উপর প্রায় ১৫ থেকে ১৬ টি গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সেতুর উপরে গাড়ি আটকা থাকায় লোকজন নেমে যাচ্ছে। যার ফলে সেতুর দুই পাশেই যানজট কিংবা ধীরগতি রয়েছে।”



