Tuesday, June 16, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এখনই সরছে না ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল

এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী এই তথ্য স্পষ্ট করেন

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

রাজধানীর যানজট নিরসনে মহাখালী, সায়দাবাদ, গাবতলী ও গুলিস্তানের মতো আন্তঃনগর বাস টার্মিনালগুলো ঢাকার ভেতর থেকে রাতারাতি বা এখনই পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য স্পষ্ট করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার উচ্চপর্যায়ের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চারটি প্রধান বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। টার্মিনালগুলো হলো, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান, গাবতলী, মহাখালী এবং সায়দাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর টার্মিনাল স্থানান্তরের বাস্তব অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, “একটি বাস টার্মিনালে বা স্ট্যান্ডে একেকটি বাস ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকছে। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাচ্ছি। বাসগুলো থাকবে মূল ডিপোতে এবং ট্রিপ ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে নির্ধারিত টার্মিনালে আসবে। যাত্রীরা বাসে উঠবেন এবং বাস চলে যাবে, টার্মিনাল কেবল এই কাজেই ব্যবহার হবে। দিনের পর দিন বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থেকে যে যানজট ও চরম অব্যবস্থাপনা তৈরি করছে, তা আর হতে দেওয়া হবে না।”

তিনি বলেন, যেমন ধরুন, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থাকছে আপাতত। এইটা স্থায়ীভাবে সরানো হবে উত্তরার একটা জায়গায়। সেখানে ৫০ বিঘা জায়গা অধিগ্রহণ করার একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যে জট তৈরি হচ্ছে বাসের, সেখানে সার্ভিসটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বিধায় যেসব বাস ছাড়বে, সেটা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড ব্যবহার করবে। অতিরিক্ত যেসব বাস, ১২ ঘণ্টা তাকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে, তারপর সে ট্রিপে যাবে। সে ১২ ঘণ্টা মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে পারবে না। সে ৩০০ ফিটের আমাদের ওখানে একটা জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে অস্থায়ীভাবে, ওখানে ডিপো হিসেবে ব্যবহার করবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, বাসস্ট্যান্ড সবগুলিই সরবে, কিন্তু এই যে রাতারাতি সরে যাচ্ছে আমি তা বলছি না। যেমন ধরুন, সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড (টার্মিনাল), সেটাকে কাঁচপুরে একটা জায়গায় শেড করা হচ্ছে, বাসস্ট্যান্ড করা হচ্ছে। স্থায়ী শেড না, সে ওখানে শিফট হয়ে যাবে। পর্যাপ্ত সুবিধার পরেই কেবলমাত্র চলে যাবে। এখন ডিপো হিসেবে ব্যবহার হবে শুধুমাত্র ওই স্ট্যান্ড থেকে যে বাসগুলি দ্রুততম সময়ে ছাড়বে, একটা নির্দিষ্ট টাইম ওই স্ট্যান্ডে (সায়েদাবাদ) থাকবে। বাকি টাইম সে ওই পাশের ডিপোতে গিয়ে থাকবে। এইটা হচ্ছে সিদ্ধান্ত।  

 

   

About

Popular Links

x