খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার এক বিধবা মারমা নারীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ জানায়, ১৩ জুন গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার ৩০ বছর বয়সী ওই নারীকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন একই উপজেলার বড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দা ম্রাচাই মারমা। চাকরির কথা বলে তিনি ওই নারীকে চট্টগ্রামে নিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেদিন রাতে হাটহাজারী এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে ম্রাচাই মারমাসহ চারজন মিলে ওই নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগীর ছোট ভাই জানান, অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমা তাদের পাশের গ্রামের বাসিন্দা। চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে তার বোনকে চট্টগ্রামে নিয়ে গিয়ে এ নৃশংস ঘটনার শিকার করা হয়েছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই বাদী হয়ে থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্য তিন আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগীকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার প্রাথমিক ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



