Tuesday, June 23, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বঙ্গোপসাগরে জ্বালানির সন্ধান পেয়েছে সরকার

এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী এই তথ্য জানান

আপডেট : ২২ জুন ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি থাকলেও বিগত সরকারের ভুল নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে দেশের মানুষ তার সুফল ভোগ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে অফশোরগুলোতে (গভীর সমুদ্র) নতুন কূপ অনুসন্ধান, খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে তা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সমুদ্রে জ্বালানি পাওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত। আমি শুধু সম্ভাবনা আছে বলছি না, এটি নিশ্চিত, কিন্তু আমরা এর সঠিক ব্যবহার করতে পারিনি। বিগত সরকারের সময় আমরা দেখেছি, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে আমরা বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চল পেয়েছি এবং আমাদের প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলোও তা মেনে নিয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ পেয়েছে এবং তা উত্তোলনও করছে। কিন্তু আমাদের পূর্ববর্তী সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের যে সম্ভাবনা ছিল, তা আলোর মুখ দেখেনি। দেশের মানুষ তার সুফল পায়নি।”

দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌপথের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “আমাদের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর কেন্দ্রিক পরিচালিত হয়। নিরাপদ জাহাজ চলাচল বা নেভিগেশনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিশ্বের চেয়ে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি, তা স্বীকার করতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে আমরা আমাদের সামর্থ্য মতো কাজ করছি এবং এই সেবাকে আরও বিস্তৃত করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। এই নৌপথকে সচল, নিরাপদ, মনোরম ও সাশ্রয়ী করতে হাইড্রোগ্রাফি অত্যন্ত জোরালো ভূমিকা রাখছে এবং সামনে এর প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়বে।”

বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের আয়োজন তখনই সার্থক হবে, যখন দেশ তার নিজস্ব সমুদ্র ও নৌ-সম্পদের সম্ভাবনাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী।

   

About

Popular Links

x