Wednesday, July 01, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিশু হাসপাতালে

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, ‘ডিম নষ্ট বা পচা পাওয়া যায়নি। হয়তো একজন একটু অসুস্থ হয়েছে তাই অন্যরাও নিজেদের মনে করছে অসুস্থ’

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির ডিম খেয়ে ১১ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পূর্ব ধানসাগর ৯৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ ১১ শিক্ষার্থীকে রায়েন্দা গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

অসুস্থ ১১ শিশুর মধ্যে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী বেশি। 

স্কুলের অভিভাবক ও রাবেয়া আক্তারের মা নাসরিন বেগম বলেন,“আমি বাড়ি বসে শুনি ডিম খেয়ে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরপর স্কুলে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি আমার মেয়ে বমি করছে। পরে শিক্ষকরা ডাক্তারকে খবর দিলে তারা এসে এই হাসপাতালে নিয়ে আসে।”

অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও একই দাবি। যে ডিম খাওয়ার কিছুক্ষণ পর তারা  অসুস্থ হয়ে পড়ে।

শরণখোলা উপজেলা স্কুল ফিডিং বা মিড ডে মিল এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি (মুক্তি) বলেন, “আমরা গত শনিবার (২৮ জুন) ডিম দেই এবং বুধবার (১ জুলাই) দিয়েছি। কিন্তু ওই স্কুলের শিক্ষকরা শিশুদের আজকের ডিম না দিয়ে গত শনিবারের ডিম দিয়েছে। তাছাড়া আমরা সবসময় বাছাই করেই ডিম পাঠাই। ডিমে কোনো সমস্যা থাকার কথা না।” 

পূর্ব ধানসাগর ৯৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার বলেন, “দুপুরে ডিম খাওয়ার কিছুক্ষণ পর দেখি তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ১১ জন শিশু পেটে ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরপর স্কুল ফিডিংয়ের লোকদের ফোন দিলে তারা এসে শিক্ষার্থীদের রায়েন্দা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

গত শনিবারের ডিম বুধবার দেওয়া হয়েছে। তবে, ডিমে সমস্যা আছে কিনা তা জানেন না বলেও জানান তিনি।

রায়েন্দা গ্রামীণ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাকিল বলেন,“দুপুরের দিকে আমরা শুনি যে ওই বিদ্যালয়ে ডিম খেয়ে কয়েকজন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরপর গিয়ে দেখি বেশ কয়েকজন শিশু পেটে ব্যথার কথা বলছে। পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা দিচ্ছি। এদের মধ্যে একজন একটু বেশি অসুস্থ, বাকিরা মোটামুটি সুস্থ আছে। বড় কোনো সমস্যা দেখা দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিও) মনির আহম্মেদ বলেন, “ডিম নষ্ট বা পচা পাওয়া যায়নি। হয়তো একজন একটু অসুস্থ হয়েছে তাই অন্যরাও নিজেদের মনে করছে অসুস্থ।”

   

About

Popular Links

x