Wednesday, August 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‌‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের পর আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৪ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নয়, বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের পর ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরবে। এটি শুধু ২০২৪ সালের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে না, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের ধারক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। গত ১৭ বছর এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন বা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণে নিজ নিজ এলাকায় অন্তত একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের একক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়; এর প্রকৃত নায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রাম, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলন। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের যেমন মানুষ ভুলে যায়নি, তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও জাতি কখনো ভুলবে না।

   

About

Popular Links

x