Wednesday, September 23, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত বাড়লো ৫ গুণ

নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫% না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ৫,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা ও সদস্য প্রার্থীর ১,০০০ থেকে বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা ও সদস্য প্রার্থীর ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালায় (সংশোধনী) এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।

এছাড়া, নতুন বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫% না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হলফনামা দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীকে ২৫,০০০ টাকা ও সদস্য পদে প্রার্থীকে ৫,০০০ টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জমা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানত দিতে হবে না।

কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের অন্তত ১৫% পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ১৫%-এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এর আগে ১২.৫%-এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করা হতো।

এরআগে, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর হলফনামা দাখিলের বিধান ছিল না। নতুন বিধিমালায় বিধানটি যুক্ত করা হয়েছে। তবে সদস্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিধানটি রাখা হয়নি।

সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা ও সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকে আলাদা হিসাব খুলতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাব থেকে ব্যয় করতে হবে। কোনো খাতে ২০,০০০ টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে তা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এর আগে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ৫ লাখ ও সদস্য প্রার্থীর এক লাখ টাকা।

দুই বা ততধিক প্রার্থী সর্বোচ্চ সমান ভোট পেলে লটারির পরিবর্তে পুনঃভোটের বিধান করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সমভোট পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে পুনরায় ভোট গ্রহণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেবে কমিশন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে হবে। চেয়ারম্যানের জন্য ২০টি, সাধারণ সদস্য আসনে ১২ ও সংরক্ষিত আসনের ১০টি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

   

About

Popular Links

x