Wednesday, September 23, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

এক বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে 'ভিত্তিহীন' দাবি করেছে ফুডপান্ডা 

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম

প্রায় ৬ কোটি টাকা প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, জাল-জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ‘ফুডপান্ডা’-র ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন: ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজা (৪০), সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী (৪৬), পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান (৪০), হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক (৪৫) এবং সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক (৪২)।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী ও 'ফার্স্ট টেলি সেলস কোম্পানি'-র স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির গত বছরের ৩ জুলাই বাদী হয়ে ঢাকার আদালতে পৃথক চারটি মামলা করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গুলশান থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মশিউর রহমান ও এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন পৃথক প্রতিবেদন দাখিল করেন। আজ সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদী আইপিএলই ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে পণ্য আমদানি করে ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'পান্ডামার্ট'-এ সরবরাহ করতেন। ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন অর্ডারের বিপরীতে প্রায় আড়াই কোটি টাকার পণ্য সরবরাহ করা হলেও প্রায় ১ কোটি টাকা বকেয়া রাখা হয়। পণ্য নষ্ট হওয়ার অযুহাতে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ অতিরিক্ত টাকা কাটা এবং পাওনা টাকা দাবি করতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

এদিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে 'ভিত্তিহীন' দাবি করেছে ফুডপান্ডা বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা একটি আইনমান্যকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিচার ব্যবস্থার ওপর পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই মিথ্যা অভিযোগের মোকাবিলা করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক পরোয়ানা জারি এ ধরনের মামলার স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। হাইকোর্ট থেকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ফুডপান্ডার দাবি, বাদীর দেওয়া চেক বাউন্স হওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের পাওনা টাকা আদায়ের বাণিজ্যিক বিরোধের জের ধরেই অহেতুক হয়রানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই প্রতিশোধমূলক মামলা করা হয়েছে। এমনকি পুলিশের তদন্তেও কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক উপাদানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করে ফুডপান্ডা।

   

About

Popular Links

x