প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার পর মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন। দ্রুত নিয়োগপত্র পাওয়ার দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এর আগে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে মিছিল নিয়ে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা।
গত শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে আজ অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন প্রার্থীরা।
চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেছে ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’। বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি জানায়।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯,২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪,৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। একইসঙ্গে জেলা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর নিয়োগপত্র পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন নির্বাচিত প্রার্থীরা। বিভিন্ন জেলায় নিয়োগপত্র বিতরণ শুরু হলে একদিকে অনেকের অপেক্ষার অবসান হয়, অন্যদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়।



যশোরে সহকারি শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র পাননি ১০৬ পরীক্ষার্থী